অনলাইন ডেস্ক
রবিবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ২০৫ বার পঠিত
বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামি ধারার ৫টি দুর্বল ব্যাংককে একীভূত করার যে উদ্যোগ নিয়েছে তা সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
এই ৫টি ব্যক্তি মালিকানাধীন ব্যাংক পুঁজিবাজার তালিকাভুক্ত রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি এই পাঁচটি ব্যাংকের শেয়ারের মূল্য শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। তার অর্থ হচ্ছে এইসব ব্যাংকের শেয়ার লেনদেন বন্ধ থাকবে। ফলে ২২১ কোটি ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারী কার্যত পথে বসেছেন। তাদের বিনিয়োজিত পুঁজির কি হবে তা কেউই নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না। এতে কয়েক হাজার কোটি টাকা আটকে পড়েছে। যে কোন উদ্যোগ গ্রহণের আগে তাতে সংশ্লিষ্ট কার কেমন ক্ষতি হবে তা নিরূপন করা একান্ত জরুরি। আমাদের দেশের শেয়ার বাজার এখনো আস্থা সৃষ্টি করতে পারেনি। মূলত সে কারণেই উদ্যোক্তাগণ শেয়ার বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহের ব্যাপারে এখনো খুব একটা আগ্রহী হতে পারছেন না। অথচ উন্নত দেশগুলোতে দীর্ঘ মেয়াদি পুঁজির চাহিদা মেটানোর জন্য উদ্যোক্তাগণ শেয়ার বাজারের উপর নির্ভর করে থাকেন।
শেয়ার বাজার থেকে পুঁজি সংগ্রহ করা হলে সেখানে সনম্বয়হীনতা সৃষ্টির আশঙ্কা থাকে না। কিন্তু বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নানা সমস্যায় জর্জরিত। বিগত দিনে বিশেষ করে ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালের শেয়ার বাজারের মহা কেলেঙ্কারির কোন বিচার হয়নি। বরং যারা এই কেলেঙ্কারির নেপথ্য নায়ক ছিলেন সরকার তাদের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়ে সম্মানিত করেছিলেন। ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে শেয়ার বাজারে পুঁজি হারিয়ে অনেকেই নিঃস্ব হয়ে পড়েছিলেন। কেউ বা আত্মহত্যা পর্যন্ত করেছিলেন। কিন্তু কর্তৃপক্ষ ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারিদের প্রতি চোখ তুলে তাকায়নি। বর্তমানে যে ৫টি ব্যাংক একীভূতকরণ করা হচ্ছে তাতে যারা বিনিয়োগ করেছিলেন তাদের পুঁজি ফিরিয়ে দেবার ব্যবস্থা করা যেতে পারে। যারা বিনিয়োগ করেছেন তারা কোনভাবেই এসব ব্যাংকের দুরবস্থার জন্য দায়ী নন। তাহলে তাদের কেন শাস্তি ভোগ করতে হবে? যারা এই ব্যাংকগুলো দুরবস্থার জন্য দায়ী তাদের কোন শস্তি হচ্ছে না। যে কোন ভাবেই হোক বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা দিতে হবে। অন্যথায় ভবিষ্যতে বিনিয়োগকারীরা শেয়ারবাজার বিমুখ হযে পড়তে পারে।
Posted ০৪:৩২ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com