নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ প্রিন্ট ৬৪ বার পঠিত
ব্রিকসের সদস্যদেশগুলোর সম্মিলিত সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে একটি শক্তিশালী ও স্বনির্ভর বীমাব্যবস্থা গড়ে তোলার বিষয়ে একমত হয়েছে জোটটি। একই সঙ্গে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্যকে আরও কার্যকরভাবে সহায়তা করতে বীমা ব্যবস্থার ব্যবহার বাড়ানো এবং পুনর্বীমা সক্ষমতা জোরদারের বিষয়ে আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে নয়াদিল্লি ঘোষণাপত্রে।
১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের পর প্রকাশিত ঘোষণাপত্রে এসব কথা বলা হয়। এতে আগ্রহী সদস্যদেশগুলোর অংশগ্রহণে ব্রিকস বীমা স্থিতিস্থাপকতা কেন্দ্র গড়ে তোলার ধারণা নিয়েও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রস্তাবিত এই কেন্দ্রের মাধ্যমে অভিন্ন ঝুঁকি মডেল তৈরি, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং বিশেষায়িত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
এ ছাড়া ভারতের প্রস্তাবিত ব্রিকস ঝুঁকি গবেষণাগার নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেছে সদস্যদেশগুলো। গুজরাটের গিফট সিটি আন্তর্জাতিক আর্থিক পরিষেবা কেন্দ্রে এই গবেষণাগার স্থাপনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। আগ্রহী সদস্যদেশগুলো এতে অংশ নিতে পারবে।
পুনর্বীমা সক্ষমতা বাড়ানোর আলোচনা
ঘোষণাপত্রে ব্রিকস সদস্যদের পুনর্বীমা সক্ষমতা বাড়ানোর বিষয়ে আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়েছে। এতে বীমা নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বীমা ও পুনর্বীমা কোম্পানিসহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো স্বেচ্ছাভিত্তিতে অংশ নিতে পারবে।
ব্রিকস এমন একটি বীমা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায়, যা সদস্যদেশগুলোর পারস্পরিক বাণিজ্যকে আরও ভালোভাবে সহায়তা করবে এবং আর্থিক স্থিতিস্থাপকতা বাড়াবে।
কেডিয়া করপোরেট অ্যাডভাইজর্সের পরিচালক অমিত কুমার কেডিয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম লিংকডইনে বলেছেন, উদ্যোগটি এগিয়ে নেওয়া হলে ব্রিকস দেশগুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা, বীমা ও পুনর্বীমা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে ঝুঁকি মডেলিং, বিশেষায়িত দক্ষতা এবং আন্তদেশীয় বীমা ও পুনর্বীমার ক্ষেত্রে এর সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
বড় হচ্ছে ব্রিকসের বীমা বাজার
ডেটাকিউব রিসার্চের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ব্রিকস দেশগুলোর সম্মিলিত বীমা বাজারের আকার প্রায় ১ দশমিক ৮২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার হতে পারে। ২০৩৪ সালের মধ্যে তা বেড়ে প্রায় ৩ দশমিক ৪৫ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
বৈশ্বিক পুনর্বীমা সক্ষমতা কমে এলে বড় ধরনের দুর্যোগ, স্বাস্থ্য ও অন্যান্য জটিল ঝুঁকি সামলাতে দেশীয় বীমা কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ বাড়তে পারে। এমন পরিস্থিতিতে সদস্যদেশগুলোর মধ্যে ঝুঁকি মডেলিং, পুনর্বীমা সক্ষমতা ও বিশেষায়িত দক্ষতা ভাগাভাগির উদ্যোগ বীমা খাতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে পারে।
Posted ০৯:৪৯ অপরাহ্ণ | বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
bankbimaarthonity.com | Reporter Rasel
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com