নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট ১০ বার পঠিত
তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ওপর ২০৩০ সাল পর্যন্ত পূর্ণ কর অব্যাহতি চেয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রোকারদের সংগঠন ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিবিএ)। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানো, লেনদেন ও তারল্য বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য এ সুবিধা চেয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার (৩১ অক্টোবর) ডিবিএর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে বুধবার (২৮ অক্টোবর) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর বিনিয়োগ ও পুঁজিবাজারবিষয়ক বিশেষ সহকারী তানভীর শাহরিয়ার গনি, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান মাসুদ খান এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আহসান হাবিবের কাছে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব জমা দেয় সংগঠনটি।
ডিবিএর প্রস্তাব অনুযায়ী, ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজের মূলধনি মুনাফার ওপর পূর্ণ কর অব্যাহতি পুনর্বহাল করতে হবে। পাশাপাশি বিদেশি ব্যক্তি ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ক্ষেত্রে বিদ্যমান করব্যবস্থা পুনর্বিবেচনার দাবি জানানো হয়েছে।
বর্তমানে ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের তালিকাভুক্ত সিকিউরিটিজ থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফার ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত কর অব্যাহতি রয়েছে। এর বেশি মুনাফার ওপর সাধারণভাবে ১৫ শতাংশ কর দিতে হয়। ডিবিএ মনে করে, পূর্ণ কর অব্যাহতি দেওয়া হলে পুঁজিবাজারে লেনদেন বাড়বে, বিনিয়োগকারীরা মুনাফা পুনর্বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন এবং দেশীয় সঞ্চয় উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হবে। একই সঙ্গে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর ইকুইটি অর্থায়ন সহজ হবে।
প্রস্তাবে আয়কর আইন, ২০২৩-এর সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধনের কথা বলা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জের মাধ্যমে সম্পন্ন এবং নির্ধারিত কেন্দ্রীয় ডিপোজিটরি ব্যবস্থায় নিষ্পত্তি হওয়া যোগ্য লেনদেন থেকে অর্জিত মূলধনি মুনাফা করমুক্ত রাখার প্রস্তাব দিয়েছে ডিবিএ।
তবে স্পনসর, পরিচালক ও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ওপর বিদ্যমান করব্যবস্থা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছে সংগঠনটি।
ডিবিএ জানিয়েছে, সেন্ট্রাল কাউন্টারপার্টি অব বাংলাদেশ লিমিটেড (সিসিবিএল) পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যক্রম শুরু করলে মূলধনি মুনাফা নিরূপণ ও কর হিসাবের প্রক্রিয়া সহজ হবে। এ বিবেচনায় প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হওয়া পর্যন্ত, অর্থাৎ ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
ডিবিএর প্রেসিডেন্ট সাইফুল ইসলাম বলেন, ব্যক্তি ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্য বিনিয়োগবান্ধব করব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে পুঁজিবাজারে আস্থা ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বাড়বে। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হবে। এ উদ্যোগ পুঁজিবাজারের উন্নয়নে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নেও সহায়ক হবে।
Posted ০৪:৩৬ অপরাহ্ণ | শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com
✎ মন্তব্য করুন