অনলাইন ডেস্ক
বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ প্রিন্ট ৪১ বার পঠিত
ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রাখতে বেক্সিমকো গ্রুপের ঋণখেলাপি দুই প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ ও শাইনপুকুর সিরামিকসের ঋণসংক্রান্ত বিধিনিষেধ শিথিল করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সুবিধার আওতায় একটি প্রতিষ্ঠান এলসি খোলা ও চলতি মূলধন সুবিধা পাবে, অন্যটি ১০৫ কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণসীমা নবায়নের সুযোগ পাবে।
এ বিষয়ে গতকাল সোমবার পৃথক দুটি সার্কুলার জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সার্কুলার অনুযায়ী, নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠান দুটিকে এ সুবিধা দেওয়া হবে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবসায়িক কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
ন্যাশনাল ব্যাংকের কাছে ঋণখেলাপি হলেও বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ এখন শতভাগ নগদ মার্জিনে ঋণপত্র (এলসি) খুলতে পারবে। পাশাপাশি চলতি মূলধনের জন্যও অর্থায়ন সুবিধা পাবে প্রতিষ্ঠানটি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ ছাড় ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিধান অনুযায়ী, ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানকে সাধারণত নতুন ঋণ সুবিধা দেওয়া যায় না। এ বিধিনিষেধের কারণে বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১ নতুন অর্থায়ন সুবিধা পাচ্ছিল না, যা প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা পরিচালনায় বাধা তৈরি করছিল।
তবে নতুন সুবিধার ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর মধ্যে রয়েছে, এ ঋণের দায় সরকার বা বাংলাদেশ ব্যাংক বহন করবে না। ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে ন্যাশনাল ব্যাংক পরবর্তী সময়ে সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে কোনো আর্থিক সহায়তা দাবি করতে পারবে না।
এ ছাড়া, বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১-এর সব আয় একটি নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে জমা করতে হবে। ওই অর্থ থেকে আনুপাতিক হারে নিয়মিতভাবে ন্যাশনাল ব্যাংকের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের কাছে ঋণখেলাপি শাইনপুকুর সিরামিকসকেও একই ধরনের ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ঋণখেলাপি হওয়া সত্ত্বেও প্রতিষ্ঠানটির বিদ্যমান ১০৫ কোটি টাকার চলতি মূলধন ঋণসীমা নবায়নের সুযোগ তৈরি হয়েছে। এতে উৎপাদন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম চালু রাখতে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন পাওয়ার সুযোগ পাবে প্রতিষ্ঠানটি।
তবে এ সুবিধা পেতে শাইনপুকুর সিরামিকসকেও নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। বেক্সিমকো এলপিজি ইউনিট-১-এর মতো এ ক্ষেত্রেও ঋণের অর্থায়ন, আয় ব্যবস্থাপনা এবং পাওনা পরিশোধের বিষয়ে শর্ত মানতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের ফলে প্রতিষ্ঠান দুটির ব্যবসায়িক কার্যক্রম সচল রাখার সুযোগ তৈরি হলেও ঋণ পরিশোধের দায়ভার সংশ্লিষ্ট ব্যাংক ও ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠানের ওপরই থাকছে।
Posted ১২:৪২ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬
bankbimaarthonity.com | Animator Alif
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com