|

Advertisement
×

প্রগ্রেসিভের অর্থ আত্মসাত মামলার আসামি ডেল্টা লাইফের সিইও উত্তম কুমার

বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬   প্রিন্ট   ৮৮ বার পঠিত

প্রগ্রেসিভের অর্থ আত্মসাত মামলার আসামি ডেল্টা লাইফের সিইও উত্তম কুমার

প্রগ্রেসিভ লাইফ ইন্স্যুরেন্সের ৩৯৭টি প্রিমিয়াম রসিদ বই ব্যবহার করে গ্রাহকদের কাছ থেকে আদায় করা প্রায় ৩০ কোটি ১৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আসামি হয়েছেন উত্তম কুমার সাধু। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে করা মামলাটিতে গত ১১ অক্টোবর আসামিদের চার্জ শুনানি ও হাজিরার দিন ধার্য ছিল। ওই দিন শুনানি শেষে আগামী ২৬ অক্টোবর আবারো দিন ধার্য করা হয়েছে। মামলায় উত্তম সাধু ৩ নম্বর আসামি। প্রগ্রেসিভ লাইফের সাবেক এই সিনিয়র চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) বর্তমানে ডেল্টা লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

মামলাটি ২০১৮ সালে দায়ের করা হয় বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। মামলায় সাবেক মুখ্য নির্বাহীসহ মোট ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০৯ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে প্রগ্রেসিভ লাইফের ৩৯৭টি প্রিমিয়াম রসিদ বই নিয়মবহির্ভূতভাবে ইস্যু ও ব্যবহারের মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক পলিসি হিসাব খোলা হয় এবং গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রিমিয়াম আদায় করা হয়। কিন্তু এসব প্রিমিয়ামের একটি বড় অংশ কোম্পানির হিসাবে জমা না দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পরস্পরের যোগসাজশে এসব প্রিমিয়াম রসিদ বই ব্যবহার করেন। এমনকি কিছু প্রিমিয়াম রসিদ বই ‘হারিয়ে গেছে’বলে দেখানো হলেও পরবর্তীতে অডিটে সেগুলো ব্যবহার করে প্রিমিয়াম সংগ্রহের তথ্য পাওয়া যায় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, এভাবে মোট ৩০,১৯,৫৩,৫৯৪ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে বাদী পক্ষ দাবি করেছে।
মামলার নথিতে উত্তম কুমার সাধুর বিরুদ্ধে অন্য আসামিদের সঙ্গে যোগসাজশ করে পিআর বুক ইস্যু, ব্যবস্থাপনা এবং এসবের মাধ্যমে সংগৃহীত প্রিমিয়াম কোম্পানির হিসাবে জমা না দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
তিনি তখন প্রগ্রেসিভ লাইফের সিনিয়র চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মামলার অভিযোগে তাকে সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম. এ. করিমসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগসাজশের অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, একই পিআর বুক ব্যবহার করে একাধিক পলিসিধারীর কাছ থেকে প্রিমিয়াম সংগ্রহ এবং অর্থ কোম্পানির তহবিলে জমা না দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে।

বিশেষ অডিটে অনিয়মের তথ্য: প্রগ্রেসিভ লাইফের ২০০৯-২০১২ সালের কর্মকান্ড যাচাই করতে হুদা ভাসি চৌধুরী অ্যান্ড কোং-কে বিশেষ অডিটের দায়িত্ব দেওয়া হয়। অডিট রিপোর্টটি ২০১৪ সালের ১৫ জুলাই পরিচালনা পর্ষদের কাছে জমা দেওয়া হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, অডিটে অননুমোদিত লেনদেন, পিআর বুক ও ভাউচারের হিসাব না পাওয়া এবং কোম্পানির তহবিল ব্যবহারে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উঠে আসে।

পরে ২০১৩ থেকে ২০১৫ সালের কর্মকান্ড যাচাইয়েও আরেকটি অডিট/ইন-ডেপথ ভেরিফিকেশন করা হয় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ রয়েছে।

 

 

 

 

Facebook Comments Box

Posted ০৮:৩৩ অপরাহ্ণ | বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com