বিবিএনিউজ.নেট
মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০ প্রিন্ট ৩৯০ বার পঠিত
অফসোর ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে নামসর্বস্ব ৩টি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ২৩৬ টাকা জালিয়াতি করেছে আরব বাংলাদেশ (এবি) ব্যাংক। প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান আরব আমিরাত ও সিঙ্গাপুরে। অভিযোগের তীরে বিদ্ধ ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ কয়েকজন উধ্বতন কর্মকর্তা।
অর্থ আত্মসাতের এ অভিযোগে দুদক শিগগিরই তিনটি মামলা দায়ের করবে। মামলায় আসামি হিসেবে নাম রয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান, এমডি, ডিমএডিসহ ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদের একাধিক সাবেক সদস্যেরও। এদের অনেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হবে।
ইউএইর সেমাট সিটি জেনারেল ট্রেডিং, সিঙ্গাপুরের এটিজেড কমিউনিকেশনস পিটিই লিমিটেড ও ইউরোকারস হোল্ডিংস পিটিই লিমিটেডের নামে এ অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। দুদকের অনুসন্ধানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের অভিপ্রায়ে এসব অস্তিত্বহীন প্রতষ্ঠানের নামে ঋণ ছাড় করা হয়। অনুসন্ধানে এসব প্রতষ্ঠানের নামে ব্যাংকিং হিসাব খোলার আগেই ঋণ অনুমোদনের প্রমাণ উঠে এসেছে।
দুদকের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ব্যাংকের অর্থ আত্মসাৎ করতেই অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়। আবার সেই অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ঋণ বিতরণও করা হয়। এ পুরো কার্যক্রমে ব্যাংকের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সায় ছিল। অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যেই এ রকম একটি ছক তৈরি করা হয়। দুদকের অনুসন্ধানে এসব অর্থ আত্মসাতের প্রমাণও মিলেছে। শিগগিরই দুদকের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হবে।
১৬০ কোটি ৮০ লাখ টাকা ঋণ প্রদান বা গ্রহণ করে বিদেশে স্থানান্তরের মাধ্যমে পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করা হয়েছে। চট্টগ্রামের এএনএম তায়েবুর রশিদ, চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখার সাবেক হেড অব ওবিও বর্তমানে ভিপি ও অপারেশন ম্যানেজার খাতুনগঞ্জ শাখা মো. লোকমান হোসেন, চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখার সাবেক এসএভিপি মো. শাহজাহান, সাবেক পিও মো. আরিফ নেওয়াজ, বিজনেস ডিভিশনের এভিপি কাজী আশিকুর রহমান, সাবেক ইভিপি কাজী নাসিম আহমেদ, সাবেক এসইভিপি ও হেড অব বিজনেস আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সাবেক এসইভিপি ও হেড অব সিআরএম এবং সদস্য ক্রেডিট কমিটি সালমা আক্তার, প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ইভিপি অ্যান্ড হেড অব আইসিসিডি মো. শাহজাহান, ইভিপি অ্যান্ড হেড অব আইসিসিডি মো. আমিনুর রহমান, সাবেক ইভিপি সরফুদ্দিন আহমেদ, ব্যাংকটির সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, সাবেক এমডি ও প্রেসডেন্ট অব ক্রেডিট কমিটি শামীম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক ডিএমডি ও হেড অব ক্রেডিট কমিটি মশিউর রহমান চৌধুরী, ডিএমডি অ্যান্ড হেড অব অপারেশন্স সাজ্জাদ হোসেন ছাড়াও অভিযুক্তদের তালিকায় নাম আছে সাবেক পরিচালক এমএ আউয়াল, ফাহিম উল হক, ড. মো. ইমতিয়াজ হোসেন, ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, শিশির রঞ্জন বোস, বিবি সাহা রায়, মো. মেজবাউল হকের।
৬০ কোটি ৪০ লাখ টাকা পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগে মামলার সুপারিশ করা হয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান এম ওয়াহিদুল হক, সাবেক এমডি শামীম আহমেদ চৌধুরী, সাবেক ডিএমডি মশিউর রহমান চৌধুরী ও ডিএমডি সাজ্জাদ হোসেনের বিরুদ্ধে। এছাড়া অপারেশন ম্যানেজার খাতুনগঞ্জ শাখা মো. লোকমান হোসেন, চট্টগ্রাম ইপিজেড শাখার সাবেক এসএভিপি মো. শাহজাহান, সাবেক পিও মো. আরিফ নেওয়াজ, সাবেক এভিপি মো. সালাহ উদ্দিন, প্রধান কার্যালয়ের সাবেক ইভিপি মো. শাহজাহান, ইভিপি মো. আমিনুর রহমান, সাবেক ইভিপি সরফুদ্দিন আহমেদ। নাম আছে বিজনেস ডিভিশনের এভিপি কাজী আশিকুর রহমান, সাবেক ইভিপি কাজী নাসিম আহমেদ, সাবেক এসইভিপি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সাবেক এসইভিপি এবং সদস্য ক্রেডিট কমিটি সালমা আক্তারের। তালিকায় আছেন সাবেক পরিচালক এমএ আউয়াল, ফাহিম উল হক, ফিরোজ আহমেদ, সৈয়দ আফজাল হাসান উদ্দিন, শিশির রঞ্জন বোস, বিবি সাহা রায়, মো. মেজবাউল হক ও ড. মো. ইমতিয়াজ হোসেন।
১৪ কোটি ৮৮ লাখ টাকা পাচার ও আত্মসাতের অভিযোগে ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করা হয়েছে।
Posted ০৪:১৬ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com