|

Advertisement
×

অর্থায়ন ও মূলধন সক্ষমতা বাড়াতে ৪০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করছে আইপিডিসি

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬   প্রিন্ট   ১৮ বার পঠিত

অর্থায়ন ও মূলধন সক্ষমতা বাড়াতে ৪০০ কোটি টাকার বন্ড ইস্যু করছে আইপিডিসি

অর্থায়নের চাহিদা পূরণ এবং মূলধন সক্ষমতা জোরদার করতে ৪০০ কোটি টাকার দুটি বন্ড ইস্যুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইপিডিসি ফাইন্যান্স পিএলসি। এর মধ্যে ২০০ কোটি টাকার আনসিকিউরড সাবঅর্ডিনেটেড বন্ড এবং ২০০ কোটি টাকার গ্রিন জিরো-কুপন বন্ড রয়েছে। বেসরকারি প্লেসমেন্টের মাধ্যমে বন্ড দুটি ইস্যু করা হবে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

কোম্পানিটির তথ্য অনুযায়ী, চলমান অর্থায়নের প্রয়োজন মেটানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে মূলধন পর্যাপ্ততা বজায় রাখার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় বন্ড ইস্যুর প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২০০ কোটি টাকার নন-কনভার্টিবল আনসিকিউরড সাবঅর্ডিনেটেড বন্ডটি টিয়ার-২ মূলধন হিসেবে বিবেচিত হবে। এর মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে ছয় বছর। অন্যদিকে, ২০০ কোটি টাকার গ্রিন জিরো-কুপন বন্ডের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। তবে বন্ড দুটি ইস্যুর কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিতে হবে।

এদিকে একই পর্ষদ সভায় কোম্পানিটির ১৬তম বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) আয়োজনের সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। আগামী ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬ সকাল ৯টায় ভার্চুয়াল মাধ্যমে সভাটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এতে কোম্পানির সংঘ স্মারকে নতুন উদ্দেশ্যসংক্রান্ত ধারা সংযোজন, সংঘবিধিতে নতুন ধারা যুক্ত করা এবং কোরামসংক্রান্ত বিদ্যমান বিধান সংশোধনের প্রস্তাব শেয়ারহোল্ডারদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। এসব পরিবর্তন কার্যকর করতে শেয়ারহোল্ডার ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

কোম্পানিটির আর্থিক ফলাফলেও ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির চিত্র দেখা গেছে। ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর) আইপিডিসি ফাইন্যান্সের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৮২ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৬১ পয়সা। সে হিসাবে ইপিএস বেড়েছে ২১ পয়সা। অন্যদিকে, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৩৭ পয়সায়।

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ। ওই হিসাব বছরে আইপিডিসির ইপিএস ছিল ১ টাকা ১১ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরের ৮৯ পয়সার তুলনায় ২২ পয়সা বেশি। ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৭ টাকা ৮৫ পয়সা।

২০২৪ হিসাব বছরেও বিনিয়োগকারীদের ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছিল আইপিডিসি ফাইন্যান্স। ওই বছর কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৮৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের ৮৮ পয়সার তুলনায় সামান্য বেশি। ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষে এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১৭ টাকা ৭৩ পয়সায়।

অন্যদিকে, ২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস ছিল ৮৮ পয়সা, যেখানে আগের হিসাব বছরে তা ছিল ২ টাকা ৪৩ পয়সা। ওই হিসাব বছরেও শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করা হয়েছিল। ২০২৩ হিসাব বছর শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৭ টাকা ৩৩ পয়সা।

ঋণমানের দিক থেকেও শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে আইপিডিসি ফাইন্যান্স। প্রতিষ্ঠানটির দীর্ঘমেয়াদি ঋণমান ‘এএএ’ এবং স্বল্পমেয়াদি ঋণমান ‘এসটি-১’ নির্ধারণ করেছে ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড (ইসিআরএল)। ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত ও পরিমাণগত তথ্য পর্যালোচনা করে এ রেটিং দেওয়া হয়েছে।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ | সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com