বিবিএনিউজ.নেট
মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০ প্রিন্ট ১০২৮ বার পঠিত
সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল। এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে। দশ বছর ধরে খননের পর সুয়েজ খাল ১৮৬৯ সালের ১৬ নভেম্বর সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। উত্তরে ইউরোপ থেকে দক্ষিণে এশিয়া, উভয়প্রান্তে পণ্য পরিবহনে সুয়েজ খাল একটি জলপথ হিসাবে ব্যবহৃত হয় ৷ এতে করে সম্পূর্ণ আফ্রিকা মহাদেশ ঘুরে আসতে হয়না। খালটি উন্মুক্ত হবার পূর্বে, কখনো কখনো পণ্য জাহাজ থেকে নামিয়ে মিশরের স্থলপথ অতিক্রম করে, ভূমধ্যসাগর হতে লোহিত সাগরে এবং লোহিত সাগর হতে ভূমধ্যসাগরে অপেক্ষমাণ জাহাজে পারাপার করা হত। এর ব্যপ্তি ভূমধ্যসাগরের পোর্ট আবু সাঈদ হতে লোহিত সাগরের সুয়েজ (আল-সুওয়েজ) পর্যন্ত। ফার্দিনান্দ দে লেসেপ্স নামক একজন ফরাসি প্রকৌশলী এই খাল খননের উদ্যোক্তা।
সুয়েজ ক্যানেলের নিমার্ণ শুরু হয় ১৮৫৯ সালের এপ্রিল মাসে ৷ শুরুতে এর দৈর্ঘ্য ছিল ১৬৪ কিলোমিটার এবং গভীরতা ছিল ৮ মিটার । বেশ কিছু সংস্কার ও সম্প্রসারণের পর ২০১০ সালের হিসাব মতে এর দৈর্ঘ্য ১৯০.৩ কিলোমিটার , গভীরতা ২৪ মিটার এবং সর্বনিম্ন সরু স্থানে এর প্রস্থ ২০৫ মিটার । এর মধ্যে উত্তর প্রবেশ চ্যানেল-এর দৈর্ঘ্য ২২ কিলোমিটার ৷ মূল খালের দৈর্ঘ্য ১৬২.২৫ কিলোমিটার এবং দক্ষিণ প্রবেশ চ্যানেল এর দৈর্ঘ্য ৯ কিলোমিটার ৷
এটি একটি এক লেন বিশিষ্ট খাল যাতে দুটি বাই-পাসের স্থান আছে, এগুলো হল বাল্লাহ বাইপাস এবং গ্রেট বিটার লেক ৷ সুয়েজ খালে কোনো লকগেট নেই ৷ সমুদ্রের জল অবাধে এই খালের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় ৷ সুয়েজ খালের মালিকানা ও পরিচালনা মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথরিটির ওপর ন্যস্ত ৷ আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী সবসময় যে কোনো দেশের পতাকাবাহী বাণিজ্যিক বা যুদ্ধ জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে সুয়েজ খাল ৷
Posted ০২:৩২ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর ২০২০
bankbimaarthonity.com | Sajeed
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com