অনলাইন ডেস্ক
সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ৭৬২ বার পঠিত
হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ১১টি ব্যাংকের বোর্ড গঠন করে দেয়। এই ব্যাংকগুলোর একটি আইএফআইসি ব্যাংক। ব্যাংকটির নতুন বোর্ড গঠিত হলেও জালিয়াতিতে জড়িত ব্যাংকটির ম্যানেজমেন্ট আগের মতই রয়ে গেছে। আইএফআইসি ব্যাংকে সালমান এফ রহমানের সীমাহীন জালিয়াতির সহযোগী ও তার নিয়োগকৃত ব্যাংকটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা এখনও বহাল আছেন। এ নিয়ে ব্যাংকের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মধ্যেও অসন্তোষ বিরাজ করছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। এছাড়া সালমানের রোষানলের শিকার অনেক কর্মকর্তা কর্মচারি অনেকদিন আগে থেকেই ব্যবস্থা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফার পদত্যাগ দাবি করে আসছে।
দেশের প্রথম প্রজন্মের বেসরকারি ব্যাংক আইএফআইসি ব্যাংক পিএলসি এখন ভয়াবহ আর্থিক সংকটে পড়েছে। ব্যাংকটির সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, শেয়ারপ্রতি লোকসানে ইপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ পয়সা যেখানে গত বছর একই সময়ে ইপিএস ছিল ১ টাকা ৩০ পয়সা। শুধু তাই নয়, ২০২৪ সালে শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ১৫ পয়সা যা আগের বছরে ছিল ১৭ টাকা ৫৩ পয়সা। ফলে ক্ষতির কারণে ব্যাংকটি গত বছরের জন্য কোনো লভ্যাংশ দিতে পারছে না। ২০২৪ সালেই ব্যাংকটির লোকসান ১২১ কোটি টাকা, অথচ এর আগের বছর মুনাফা হয়েছিল প্রায় ৩০০ কোটি টাকা।
অনিয়ম ও আত্মসাতের ইতিহাস:
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ২০১৫ সাল থেকে আইএফআইসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান ছিলেন। তার মালিকানায় মাত্র ২ শতাংশ শেয়ার থাকলেও রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে বেক্সিমকো গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান দখল করেছিলেন আইএফআইসি ব্যাংক। সরকার পতনের পর বোর্ড পুনর্গঠনের মাধ্যমে সালমান এফ রহমানের প্রভাবমুক্ত করা হয়েছে আইএফআইসি ব্যাংক। তবে অভিযোগ রয়েছে এখনও তার রাহুমুক্ত হতে পারেনি ব্যাংকটি।
ব্যাংকটির পতনের মূল কারণ হিসেবে উঠে এসেছে অ্যাসেট কোয়ালিটির অবনতি এবং দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম। অভিযোগ রয়েছে, সাবেক চেয়ারম্যান সালমান এফ রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর ব্যাংক থেকে ঋণ ও বন্ডের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ৩ কোটি ৬৬ লাখ শেয়ার নিয়ন্ত্রণ করতেন, পাশাপাশি তার মালিকানাধীন কোম্পানি নিউ ঢাকা ইন্ডাস্ট্রিজ ও ট্রেডনেক্সট ইন্টারন্যাশনাল-এর হাতে ছিল যথাক্রমে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ও ৩ কোটি ৭৭ লাখ শেয়ার। বর্তমানে সালমান এফ রহমান কারাগারে রয়েছেন এবং তার ছেলে শায়ান ফজলুর রহমান ঋণখেলাপি হওয়ায় পরিচালনা পর্ষদ থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
লোকসানের পরেও আলোচ্য বছরে ব্যাংকটির এমডির বেতন বেড়েছে ৯.৫৬ শতাংশ, টাকার অঙ্কে যা ২৪ লাখ টাকা। ২০২৩ সালে ব্যাংকটির এমডি মোট বেতন ভাতা নিয়েছেন ২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা। একটি সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকের এমডির বেতন এত পরিমানে বাড়ার নজির আর দেখা যায়নি। কত টাকা মুনাফা করলে কত টাকা পরিচালন ব্যয় এবং আর্থিক খরচ করা যায় তার কোন নির্দিষ্ট সীমারেখা ব্যবস্থাপনা পর্ষদ অবলম্বন করেনি। আইএফআইসি ব্যাংকের বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মনসুর মোস্তফা সালমান এফ রহমানের হয়ে দুর্নীতিতে সহযোগিতা করেছেন বলে অভিযোগ আছে। প্রতিমাসে এখনও প্রায় ২২ লাখ টাকা বেতন নিচ্ছেন বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।
গত বছর ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সামনে আসে ব্যাংকগুলো থেকে টাকা লুটের খবর। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুশাসনের ঘাটতির সুযোগ নিয়ে ঋণ জালিয়াতি থেকে শুরু করে বেসরকারি খাতের কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালনা চলে যায় গুটিকয়েক ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর হাতে। রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ব্যাংকগুলো দখলমুক্ত করতে নতুন পর্ষদ নিয়োগ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় আইএফআইসি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে নতুন পর্ষদ গঠন করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সার্কুলার অনুযায়ী কেন্দ্রীয় ব্যাংক নতুন পর্ষদে দুইজন পরিচালক ও চার জন স্বতন্ত্র পরিচালক নিয়োগ দেয়।
বার্ষিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ:
আইএফআইসি ব্যাংকের বার্ষিক প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে দেখা যায় ব্যাংকটি কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে আর্থিক সংকটে ভূগছে। সর্বশেষ বছরে আইএফআইসি ব্যাংকের বিনিয়োগ কমেছে ১০ শতাংশের বেশি। ২০২৩ সালে ব্যাংকটি বিনিয়োগ করে ৫ হাজার ৩৭৪ কোটি ৪০ লাখ টাকা কিন্তু ২০২৪ সালে বিনিয়োগ ছিল ৪ হাজার ৩৫৫ কোটি ৯৫ লাখ টাকা। একইভাবে ফিক্সড অ্যাসেটের পরিমানও কমেছে ব্যাংকটির। ২০২৩ সালে ফিক্সড অ্যাসেটের পরিমান ছিল ১ হাজার ৩০ কোটি ৭০ লাখ টাকা এবং ২০২৪ সালে কমে দাড়ায় ৯৯৭ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। অন্যদিকে মোট দায়ভার (টোটাল লায়াবিলিটিস) বেড়েছে। ২০২৩ সালে টোটাল লায়াবিলিটিস ছিল ৪৯ হাজার ২০৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা কিন্তু ২০২৪ সালে তা বেড়ে হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬৪ কোটি ২০ লাখ টাকা।
আইএফআইসি ব্যাংকের আগের বছরের তুলনায় ব্যবস্থাপনা ব্যয় ও সুদবাবদ ব্যয় দুটাই বেড়েছে। ২০২৩ সালে ব্যবস্থাপনা ব্যয় ছিল ১ হাজার ১০ কোটি ৪০ লাখ টাকা এবং ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাড়ায় ১ হাজার ১৫৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা। সুদবাবদ ব্যয় হয়েছে ৩ হাজার ৭৪১ কোটি ১৭ লাখ টাকা কিন্তু আগের বছর ছিল ২ হাজার ৪৪৭ কোটি ৮২ লাখ টাকা। পক্ষান্তরে অপারেটিং আয় এবং কর পূর্ববর্তী ও কর পরবর্তী দুই আয়ই কমেছে। ২০২৩ সালে অপারেটিং আয় ছিল ১ হাজার ৪৮২ কোটি ৪৩ লাখ টাকা যা ২০২৪ সালে কমে দাড়ায় ১ হাজার ১৫৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে কর পূর্ববর্তী নেট আয় ছিল ২৫৩ কোটি ৩৪ লাখ টাকা যা আগের বছর ছিল ৩৫৮ কোটি ১৫ লাখ টাকা। ২০২৪ সালে কর পরবর্তী নেট আয় ছিল ১০২ কোটি ৪৭ লাখ টাকা যা আগের বছর ছিল ২৪৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা।
আইএফআইসি ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ সবচেয়ে বেশি বেড়েছে গতবছর। ২০২৩ সালে শ্রেণীকৃত ঋণ ছিল ৩ হাজার ৩০৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা কিন্তু ২০২৪ সালে তা ঝুঁকিপূর্ণভাবে বেড়ে দাড়ায় ২৪ হাজার ৫৮৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা। সর্বশেষ বছরে ব্যাংকটি গ্রাহকদের কোন ডেভিডেন্ট দিতে পারেনি।
অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে তুলনা:
বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী অন্যান্য ব্যাংকের সঙ্গে তুলনামূলক চিত্র দেখলেও আইএফআইসি ব্যাংকের দূর্দষার কথা উঠে আসে। আইএফআইসি ব্যাংকের মোট অ্যাসেট ৫৬ হাজার ৫৬৯ কোটি ৩৬ লাখ টাকার বিপরীতে শ্রেণীকৃত ঋণ দেওয়া হয়েছে ২৪ হাজার ৫৮৫ কোটি ৬১ লাখ টাকা (৫৪.৯৭ শতাংশ) এবং ইপিএস ৫৩ পয়সা মাত্র যেখানে প্রায় সমপরিমান (৫৬ হাজার ১৩৬ কোটি ১৭ লাখ টাকা) টোটাল অ্যাসেটধারী ট্রাস্ট ব্যাংকের শ্রেণীকৃত ঋণ ২ হাজার ৪০৫ কোটি ২৬ লাখ টাকা এবং তাদের ইপিএস ৪ টাকা ৮১ পয়সা। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মোট অ্যাসেট ৪৫ হাজার ৭২০ কোটি ৪০ লাখ টাকার বিপরীতে শ্রেণীকৃত ঋণ ২ হাজার ৭৪ কোটি ৪ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৩ টাকা ২২ পয়সা। ব্যাংক এশিয়ার মোট অ্যাসেট ৫৩ হাজার ২৯০ কোটি ১৮ লাখ টাকার বিপরীতে শ্রেণীকৃত ঋণ ৩ হাজার ৩৪৭ কোটি ৮০ লাখ টাকা এবং ইপিএস ২ টাকা ৬ পয়সা এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের মোট অ্যাসেট ৬২ হাজার ১২৫ কোটি ১৫ লাখ টাকার বিপরীতে শ্রেণীকৃত ঋণ ১ হাজার ৬৫৭ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং ইপিএস ৫ টাকা ৫৩ পয়সা।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুসারে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে আইএফআইসি ব্যাংকের খেলাপি ঋনের হার ছিল ৭.৯৯ শতাংশ। একই সময়ে স্যোশাল ইসলামি ব্যাংকের খেলাপি ঋনের হার ৪.৭৬ শতাংশ, প্রিমিয়ার ব্যাংকের ৪.৯৯ শতাংশ, ব্যাংক এশিয়ার ৬.৭০, মিডল্যান্ড ব্যাংকের ৩.৮১শতাংশ, এবি ব্যাংকের ৩০.০৬ শতাংশ, পূবালি ব্যাংকের ২.৮৬ শতাংশ, উত্তরা ব্যাংকের ৫.৪৬ শতাংশ, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের ৬.০৮ শতাংশ, ডাচ বাংলা ব্যাংকের ৪.১৪ শতাংশ, ইসলামি ব্যাংকের ৪.৩২ শতাংশ, শাহজালাল ইসলামি ব্যাংকের ৪.৪২শতাংশ, প্রাইম ব্যাংকের ৩.৫৪শতাংশ, ব্রাক ব্যাংকের ৩.৬১শতাংশ, সিটি ব্যাংকের ৩.৬৩ শতাংশ এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের খেলাপি ঋনের হার ৩.১৯ শতাংশ। এখানে ১৬টি ব্যাংকের খেলাপি ঋনের মধ্যে একমাত্র এবি ব্যাংক ছাড়া বাকী ১৫টি ব্যাংকের তুলনায় আইএফআইসি ব্যাংকের খেলাপির হার সর্বোচ্চ। উল্লেখিত ব্যাংকগুলোর খেলাপির হারের তুলনায় আইএফআইসি ব্যাংকের হার কোন কোন ব্যাংকের তিন চার শতাংশ বেশী। এতে বোঝা যায় কতটা দুরবস্থায় আছে ব্যাংকটি।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পদক্ষেপ:
অনিয়ম ও অদক্ষতার কারণে গত বছরের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ ব্যাংক আইএফআইসি ব্যাংকের পুরো পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয়। ২০১৫ সাল থেকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে আসা সালমান এফ রহমানসহ পুরো বোর্ডকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সেসময় নতুন করে ছয় সদস্যের একটি বোর্ড নিয়োগ দেওয়া হয়, যেখানে ন্যাশনাল ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মেহমুদ হোসেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক এবাদুল ইসলাম, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক সাজ্জাদ জহির ও চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট কাজী মো. মাহবুব কাশেম স্বতন্ত্র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পান। এছাড়া সরকারের প্রতিনিধি হিসেবে দুইজন অতিরিক্ত সচিবকে পরিচালক করা হয় সেসময়। তবে বোর্ড পরিবর্তনের পরও ব্যাংকের আর্থিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। বরং লোকসানের অঙ্ক বেড়েছে যা সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
শেয়ারহোল্ডারদের আস্থাহীনতা:
বর্তমানে আইএফআইসি ব্যাংকের মোট পরিশোধিত মূলধন ১ হাজার ৯২২ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩২.৭৫ শতাংশ শেয়ার সরকারের মালিকানায়, ২১.০৯ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের হাতে, ০.৬৩ শতাংশ বিদেশি বিনিয়োগকারীদের হাতে এবং ৪৫.৫৩ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে। বারবার লোকসান ও অনিয়মের কারণে সাধারণ বিনিয়োগকারীরা এখন মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তারা বলছেন, ব্যাংকটির সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হলে এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত পরিচালনা না হলে এই লোকসান আরও বাড়তে পারে।
টালমাটাল ভবিষ্যৎ:
ব্যাংকটির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয় ১১ সেপ্টেম্বর সেখানে শেয়ারহোল্ডাররা আবারও হতাশ হন কারণ লোকসানের কারণে এবছর কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি ব্যাংকটি। আইএফআইসি ব্যাংকের এই সংকট শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতার উদাহরণ নয় বরং পুরো ব্যাংকিং খাতের জন্য একটি সতর্ক সংকেত। বিশেষজ্ঞদের মতে, রাজনৈতিক প্রভাব, পরিবারতন্ত্র এবং দায়মুক্ত অনিয়ম অব্যাহত থাকলে দেশের আর্থিক খাতের প্রতি জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে ব্যবস্থাপনা পরিচালকের মন্তব্য নিতে আইএফআইসি ব্যাংকে ফোন করলে কেউ ধরেননি। অন্য সূত্র থেকে ব্যাংকের মুখপাত্র ডিএমডি মো: রফিকুল ইসলামের মোবাইল নাম্বার সংগ্রহ করে তাঁর সঙ্গে কথা বললে তিনি বলেন, ‘আমি মিটিংয়ে আছি, আমাকে প্রশ্নগুলো হোয়াটসঅ্যাপে পাঠান, আমি উত্তর দিব।’ দৈনিক ব্যাংক বীমা অর্থনীতি’র প্রতিবেদক তাঁকে প্রশ্নগুলো পাঠান এবং এমডি’র মোবাইল নাম্বার দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু দু’দিন অপেক্ষা করলেও তিনি কোন উত্তর দেননি ও মোবাইলে ফোন করলেও ফোন ধরেননি। তবে তিনি ব্যবস্থাপনা পরিচালককে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে ক্ষুদে বার্তা পাঠিয়েছেন কিন্তু তাঁর মোবাইল নাম্বার দেননি।
Posted ১০:০১ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com