|

Advertisement
×

তিব্বতে ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১৬, ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩৯টি বাড়িঘর

শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬   প্রিন্ট   ১১ বার পঠিত

তিব্বতে ভূমিকম্পে প্রাণহানি ১৬, ক্ষতিগ্রস্ত ৩৩৯টি বাড়িঘর

তিব্বতে ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, নিহত ১৬, ক্ষতিগ্রস্ত শত শত বাড়ি

চীনের তিব্বত অঞ্চলে শক্তিশালী ভূমিকম্পে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। রিখটার স্কেলে ৭ মাত্রার এই ভূমিকম্পে আহত হয়েছেন অর্ধশতাধিক মানুষ। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি তিন শতাধিক বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ভূমিকম্পের পর ভূমিধসের কারণে বিভিন্ন সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকাজও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিব্বতের পার্বত্য অঞ্চলে আঘাত হানা ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নাগকু অঞ্চলের বাকেন এলাকায়। তবে এর কম্পন কামদো ও নিংচি শহরেও অনুভূত হয়েছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় ভূমিকম্পের আঘাতে ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি উদ্ধারকর্মীদের ঘটনাস্থলে পৌঁছানো নিয়েও তৈরি হয়েছে জটিলতা।

বিদ্যুৎ বিপর্যয়, ভূমিধসে ব্যাহত উদ্ধারকাজ

ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিন শতাধিক বাড়িঘর। পাশাপাশি ভূমিকম্পের পর পাহাড়ি এলাকায় ভূমিধসের কারণে রাস্তাঘাট বন্ধ হয়ে গেছে। এতে দুর্গম ও উঁচু এলাকাগুলোতে উদ্ধারকারী দলের পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

এ পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের উদ্ধার, আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে দুর্গম ভূপ্রকৃতির কারণে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি হয়েছে।

চীনে বড় ভূমিকম্পের পুরোনো ক্ষত

চীনের বিভিন্ন পার্বত্য অঞ্চলে অতীতেও শক্তিশালী ভূমিকম্পে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ২০২৩ সালে দেশটির গানসু প্রদেশে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্পে ১২০ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। ওই ঘটনায় বহু ঘরবাড়ি ও অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

পার্বত্য এলাকায় ভূমিকম্পের পর ভূমিধস ও যোগাযোগব্যবস্থা ভেঙে পড়ার ঝুঁকি উদ্ধারকাজকে আরও কঠিন করে তোলে। বিশেষ করে দুর্গম বসতিগুলোতে দ্রুত সহায়তা পৌঁছানো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।

সাম্প্রতিক দুর্যোগেও বিপর্যস্ত হয়েছিল তিব্বত ও নেপাল

এর আগে দুই মাসেরও কম সময় আগে হিমবাহ ধস, বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় তিব্বত ও নেপালের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গিয়েছিল। ওই দুর্যোগে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষের মৃত্যুর তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া শত শত মানুষের নিখোঁজ থাকার খবরও পাওয়া যায়।

একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এ অঞ্চলের দুর্গম জনপদগুলোর দুর্যোগ মোকাবিলা ও উদ্ধার কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

বিদেশি গণমাধ্যমের প্রবেশে বিধিনিষেধ

চীনের সবচেয়ে কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত অঞ্চলগুলোর একটি তিব্বত। সেখানে বিদেশি সাংবাদিকদের প্রবেশ ও সংবাদ সংগ্রহের ওপর বিধিনিষেধ রয়েছে। ফলে দুর্গম অঞ্চল থেকে স্বাধীনভাবে তথ্য সংগ্রহ এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিস্থিতি সরাসরি যাচাই করা বিদেশি গণমাধ্যমের জন্য কঠিন হতে পারে।

ভূমিকম্পে প্রাণহানি, ক্ষয়ক্ষতি ও উদ্ধার কার্যক্রমের বিষয়ে পরবর্তী সময়ে আরও তথ্য সামনে আসতে পারে।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ০৬:২৪ অপরাহ্ণ | শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com