|

Advertisement
×

হাজার কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ন্যাশনাল ব্যাংক

মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২   প্রিন্ট   ৪৭৪ বার পঠিত

হাজার কোটি টাকার বন্ড ছাড়বে ন্যাশনাল ব্যাংক

শেয়ারবাজারে ব্যাংক খাতে তালিকাভুক্ত ৩৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আইসিবি ইসলামী ব্যাংকের পরই সর্বোচ্চ দুর্বল অবস্থানে রয়েছে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড। গত দুই বছর ধরে তীব্র আর্থিক সংকটে থাকা বেসরকারি খাতের এ ব্যাংকটি রেগুলেটরি ক্যাপিটালের শর্ত পূরণ করতে এবার বিদেশি বন্ড ইস্যুর মাধ্যমে বৈদেশিক উৎস থেকে হাজার কোটি টাকা তহবিল সংগ্রহ করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মাধ্যমে ব্যাংকটি জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষের সম্মতি সাপেক্ষে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ বৈদেশিক মুদ্রায় ১০০ মিলিয়ন ডলার সমমূল্যের এক হাজার কোটিরও বেশি টাকার বন্ড ইস্যু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রস্তাবিত বন্ডের মেয়াদকাল হবে সাত বছর।

ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানায়, প্রথম বেসরকারি ব্যাংক হিসেবে ন্যাশনাল ব্যাংক বিদেশি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহের জন্য বৈদেশিক মুদ্রায় বন্ড ইস্যু করতে যাচ্ছে। ব্যাংকটি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যভিত্তিক বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে তহবিল সংগ্রহের চেষ্টা করছে।

ব্যাংকটি কর্পোরেট ঋণ নির্ভরতা থেকে বেরিয়ে এসে এসএমই খাতের ওপর গুরুত্ব দিয়ে ব্যবসায়িক কৌশলকে নতুনভাবে সাজাতে চায়। এরই অংশ হিসেবে ব্যাংকটি দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে তহবিল বৃদ্ধির মাধ্যমে মূলধন জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।

এর আগে চলতি বছরের মে মাসে ব্যাংকটি মূলধনের শর্ত পূরণে সাব-অর্ডিনেট বন্ড ইস্যু করে দেশীয় উৎস থেকে ৫০০ কোটি টাকা সংগ্রহের ঘোষণা করেছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকটির মূলধন ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩০০ কোটি টাকা। বিপুল ঋণ অসঙ্গতির কারণে ক্রমবর্ধমান খেলাপি ঋণ ব্যাংকটির মূলধন সংকুচিত করেছে।

জুন মাসে ব্যাংকটির খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ২৩ দশমিক ২৪ শতাংশ যা বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ। উচ্চ খেলাপি ঋণের ফলে জুন মাসে ব্যাংকটি ৭ হাজার ১১৫ কোটি টাকার বিশাল প্রভিশন ঘাটতিতে পড়ে।

এর আগে ২০১৪ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যাশনাল ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে পর্যবেক্ষক নিয়োগ দেয়। তারপর ব্যাংকটির আর্থিক অবস্থা কিছুটা উন্নতি হলেও গত দুই বছর ধরে আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে।

আর্থিক অবস্থার অবনতির কারণে ২০২১ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোন লভ্যাংশ দিতে পারেনি। ২০২০ সালেও কোম্পানিটির লভ্যাংশ নেমে দাঁড়িয়েছিল ৫ শতাংশে। আর্থিক সূচকের অবনতির কারণে ডিএসইতে ব্যাংকটির শেয়ার মূল্য গত দুই বছর ধরে ১০ টাকার ফেস মূল্যের নিচে অবস্থান করছে।

Facebook Comments Box
✎ মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Posted ১২:৫৭ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com