|

Advertisement
×

বাংলাদেশের বীমাখাতে IFRS ১৭’র ধারণা

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬   প্রিন্ট   ১১৩ বার পঠিত

বাংলাদেশের বীমাখাতে IFRS ১৭’র ধারণা

আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মান (International Financial Reporting Standard—IFRS)) ১৭—Insurance Contracts বা ‘বীমা চুক্তি’ বীমা চুক্তির আর্থিক প্রতিবেদনকে অধিকতর স্বচ্ছ, তুলনীয় এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার লক্ষ্যে প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক হিসাবমান। এ মানদন্ডে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত নগদপ্রবাহের বর্তমান মূল্য, অর্থের সময়মূল্য, অ-আর্থিক ঝুঁকির (non-financial risk) জন্য ঝুঁকি সমন্বয় (Risk Adjustment) এবং চুক্তিভিত্তিক সেবা মুনাফা (Contractual Service Margin—CSM)-এর মাধ্যমে বীমাসেবা প্রদানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে মুনাফা স্বীকৃতির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বীমা আয় (Insurance Revenue), বীমাসেবা ব্যয় (Insurance Service Expenses), বীমাসেবা ফলাফল (Insurance Service Result) এবং বীমা-সংক্রান্ত অর্থায়ন আয় বা ব্যয় (Insurance Finance Income or Expenses) পৃথকভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে বীমা ব্যবসার আর্থিক কর্মদক্ষতা সম্পর্কে অধিকতর স্বচ্ছ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক তথ্য প্রদানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। IFRS ১৭ ১ জানুয়ারি ২০২৩ বা তার পরবর্তী সময়ে শুরু হওয়া বার্ষিক প্রতিবেদনের সময়কাল থেকে কার্যকর।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে IFRS ১৭-এর প্রাতিষ্ঠানিক গুরুত্ব আরও ব্যাপক। দেশের বীমাখাতে একদিকে আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদন মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে; অন্যদিকে বীমাগ্রাহকের আস্থা, দাবি নিষ্পত্তি, আর্থিক সক্ষমতা, তথ্যের গুণগত মান এবং নিয়ন্ত্রক কার্যকারিতা নিয়ে বিদ্যমান বাস্তব চ্যালেঞ্জও মোকাবিলা করা প্রয়োজন। Financial Reporting Act ২০১৫-এর ধারা ৪০ এবং ধারা ৬৩ (বীমা আইন ২০১০ এর ধারা ৩২ এর উপ-ধারা ৩ এর সংশোধন) এর প্রেক্ষাপটে Financial Reporting Council (FRC) -এর মাধ্যমে IFRS ১৭ গ্রহণ ও প্রয়োগের বিষয়টি বাংলাদেশের বিভিন্ন বীমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে IFRS ১৭-এর পূর্ণাঙ্গ ও অভিন্ন বাস্তব প্রয়োগের ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক কাঠামোর সামঞ্জস্য, বিদ্যমান প্রতিবেদন-সংক্রান্ত বিধান, তথ্য অবকাঠামো এবং প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার মতো বিষয়গুলো এখনও গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে ওInsurance Development and Regulatory Authority (IDRA) ) কর্তৃক IFRS ১৭ বিষয়ে প্রশিক্ষণ আয়োজনও এ মানদন্ড বাস্তবায়ন-সংশ্লিষ্ট সক্ষমতা উন্নয়ন এবং নিয়ন্ত্রক প্রস্তুতির গুরুত্বকে নির্দেশ করে।

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বীমা-পরিসংখ্যান এ বাস্তবায়নের প্রাসঙ্গিকতাকে আরও স্পষ্ট করে। ২০২৩ সালে দেশের মোট বীমা প্রিমিয়াম সংগ্রহ ছিল প্রায় ১৭,৪৮৪ কোটি টাকা এবং সমগ্র বীমা খাতের দাবি নিষ্পত্তির হার ছিল ৬৫.১৯ শতাংশ। ২০২৪ সালে প্রিমিয়াম সংগ্রহ বেড়ে প্রায় ১৮,৭৬৮ কোটি টাকায় উন্নীত হলেও দাবি নিষ্পত্তির হার কমে প্রায় ৫৭ শতাংশে নেমে আসে। একই বছরে প্রায় ১৬,৪৮৪ কোটি টাকার দাবির বিপরীতে প্রায় ৯,৪৭৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। ২০২৫ সালের প্রথম প্রান্তিকে দাবি নিষ্পত্তির হার আরও কমে ২৭.১২ শতাংশে দাঁড়ায়। জুন ২০২৫ পর্যন্ত প্রায় ৯,১৮০ কোটি টাকার দাবির বিপরীতে মাত্র ২,২৪৬ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়েছিল; ফলে প্রায় ৬,৯৩৪ কোটি টাকার দাবি তখনও অনিষ্পন্ন ছিল। এসব তথ্য বীমা খাতের আর্থিক সক্ষমতা, দাবি ব্যবস্থাপনা, সুশাসন এবং নিয়ন্ত্রক তদারকির কার্যকারিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত প্রশ্ন উত্থাপন করে।

এই প্রেক্ষাপটে IFRS ১৭-কে কেবল একটি হিসাবমান অনুসরণের বাধ্যবাধকতা হিসেবে বিবেচনা না করে একটি প্রতিষ্ঠানব্যাপী রূপান্তর (enterprise-wide transformation) হিসেবে দেখা প্রয়োজন। তবে IFRS ১৭ নিজে কোনো গ্রাহক-সুরক্ষা মানদন্ড নয় এবং এটি দাবি নিষ্পত্তির সমস্যার সরাসরি সমাধানও প্রদান করে না। বরং উন্নত বীমা দায় পরিমাপ, মুনাফার উৎস ও প্রবণতা বিশ্লেষণ, ঝুঁকি-সংক্রান্ত তথ্য, ব্যবস্থাপনার জবাবদিহি এবং আর্থিক তথ্য প্রকাশের মাধ্যমে এটি একটি অধিকতর শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারে। এই তথ্যব্যবস্থা কার্যকর আর্থিক সক্ষমতা তদারকি, করপোরেট সুশাসন, দাবি ব্যবস্থাপনা এবং বীমাগ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য সহায়ক ভিত্তি হিসেবে কাজ করতে পারে। IFRS ১৭ বাস্তবায়ন, নিয়ন্ত্রক সংস্কার, তথ্য-শাসনব্যবস্থা, বীমা বিজ্ঞান ভিত্তিক সক্ষমতা উন্নয়ন, আর্থিক সক্ষমতা তদারকি এবং বীমাগ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষা এই ছয়টি উপাদানকে একটি সমন্বিত সংস্কার কাঠামোর আওতায় নিয়ে আসা। এর মাধ্যমে IFRS ১৭-এর সুফল কেবল আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থার মানোন্নয়নে সীমাবদ্ধ না রেখে বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিস্থাপকতা, নিয়ন্ত্রক জবাবদিহি এবং দীর্ঘমেয়াদি বীমাগ্রাহক-আস্থা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে।

বীমা ব্যবসার ভিত্তি হলো আস্থা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং ভবিষ্যৎ দায় পরিশোধের সক্ষমতা। একজন বীমাগ্রাহক বর্তমান সময়ে প্রিমিয়াম প্রদান করেন ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা ও আর্থিক ঝুঁকি মোকাবিলার প্রত্যাশায়। বিপরীতে বীমাকারী নির্দিষ্ট ঝুঁকির বিপরীতে ভবিষ্যতে ক্ষতিপূরণ প্রদান বা বীমাসেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি গ্রহণ করেন। ফলে একটি বীমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ বীমা-দায়, ঝুঁকি, লাভজনকতা এবং দাবি পরিশোধের সক্ষমতা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য বীমাগ্রাহক, বিনিয়োগকারী, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে বীমা চুক্তির হিসাবায়ন দীর্ঘদিন ধরে একটি বিশেষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি, অনিশ্চিত নগদপ্রবাহ, মৃত্যুহার ও অসুস্থতার হার-সংক্রান্ত অনুমান, পলিসি বাতিল বা অব্যাহত রাখার প্রবণতা, দাবি নিষ্পত্তির পরিবর্তনশীলতা এবং অর্থের সময়মূল্য—এসব বিষয় বীমা ব্যবসার আর্থিক ফলাফল পরিমাপকে জটিল করে তোলে। ফলে প্রচলিত সাধারণ হিসাব কাঠামোর মাধ্যমে বীমা ব্যবসার প্রকৃত অর্থনৈতিক চিত্র যথাযথভাবে প্রতিফলিত করা সবসময় সম্ভব ছিল না।

এই প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক হিসাবমান নির্ধারণকারীInternational Accounting Standards Board (IASB) ২০০৪ সালে IFRS ৪—Insurance Contracts প্রবর্তন করে। তবে IFRS ৪ মূলত একটি অন্তর্বর্তীকালীন হিসাবমান ছিল এবং এর অধীনে বিভিন্ন দেশ ও অঞ্চলে প্রচলিত বীমা হিসাবায়ন পদ্ধতি বহাল রাখার সুযোগ ছিল। এর ফলে বিভিন্ন বীমা প্রতিষ্ঠানের বীমা-দায় পরিমাপ, লাভজনকতা নির্ধারণ এবং আর্থিক কর্মদক্ষতা উপস্থাপনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য বিদ্যমান ছিল।

এই বিচিত্র হিসাবায়ন পদ্ধতির পরিবর্তে একটি অধিকতর অভিন্ন, নীতিনির্ভর ও অর্থনৈতিক বাস্তবতাসম্মত কাঠামো প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে IASB ১৮ মে ২০১৭ তারিখে IFRS ১৭—Insurance Contracts প্রকাশ করে। নতুন মানদন্ডে বীমা চুক্তির স্বীকৃতি, পরিমাপ, উপস্থাপন ও তথ্য প্রকাশের জন্য একটি সমন্বিত কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত জটিলতা ও বিভিন্ন অংশীজনের উদ্বেগ বিবেচনায় ২০২০ সালে IFRS ১৭-এ গুরুত্বপূর্ণ সংশোধন আনা হয় এবং এর কার্যকর তারিখ নির্ধারণ করা হয় ১ জানুয়ারি ২০২৩।

IFRS ১৭-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো ভবিষ্যৎ প্রত্যাশিত নগদপ্রবাহকে বর্তমান মূল্যে পরিমাপ করা এবং বীমা ঝুঁকির অনিশ্চয়তার জন্য ঝুঁকি সমন্বয় (Risk Adjustment) বিবেচনায় নেওয়া। একই সঙ্গে চুক্তিগত সেবা মার্জিন (Contractual Service Margin ev CSM)-এর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বীমাসেবা প্রদানের বিপরীতে প্রত্যাশিত কিন্তু এখনো অর্জিত হয়নি এমন মুনাফাকে ধীরে ধীরে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর ফলে কোনো বীমা চুক্তি থেকে প্রত্যাশিত মুনাফা কেবল চুক্তি সম্পাদনের সময় এককালীনভাবে দেখানোর পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট বীমাসেবা প্রদানের সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আর্থিক প্রতিবেদনে প্রতিফলিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়।
বাংলাদেশের জন্য বিষয়টি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। দেশের বীমা খাত বর্তমানে একই সঙ্গে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবতার মুখোমুখি। একদিকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও অধিকতর স্বচ্ছ আর্থিক প্রতিবেদন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন রয়েছে; অন্যদিকে দীর্ঘদিনের দাবি নিষ্পত্তির সমস্যা, দুর্বল তথ্য অবকাঠামো, নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার সমন্বয় ঘাটতি এবং প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসনের দুর্বলতা মোকাবিলা করা প্রয়োজন।
বিশেষত সম্প্রতি বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত দেশের কিছু বীমাকারীরদাবির নিষ্পত্তির বিষয়ে নেতিবাচক চিত্র এ বিষয়টির গুরুত্বকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরে। এই বাস্তবতায় ওঋজঝ ১৭-কে কেবল একটি হিসাবমান অনুসরণ কিংবা আনুষ্ঠানিক পরিপালনের বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা যথেষ্ট নয়; বরং এটিকে বীমা প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক প্রাতিষ্ঠানিক ও কার্যক্রমগত রূপান্তরের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বিবেচনা করা প্রয়োজন।
কারণ, IFRS ১৭-এর কার্যকর ও টেকসই বাস্তবায়নের জন্য শুধু হিসাব বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধি যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি প্রয়োজন নির্ভরযোগ্য ও মানসম্মত তথ্যভান্ডার, শক্তিশালী একচ্যুয়ারিয়াল সক্ষমতা, আধুনিক ও সমন্বিত তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামো, হিসাবরক্ষণ ও একচ্যুয়ারিয়াল কার্যক্রমের মধ্যে কার্যকর সমন্বয়, উন্নত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা কাঠামো এবং শক্তিশালী করপোরেট সুশাসন। এসব উপাদানের সমন্বিত উন্নয়ন নিশ্চিত করা গেলে IFRS ১৭-এর পরিপালন কেবল একটি নিয়ন্ত্রক বাধ্যবাধকতা হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না; বরং তা বীমা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক প্রতিবেদন, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা এবং সামগ্রিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তবে একটি বিষয় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন IFRS ১৭ নিজে কোনো বীমাগ্রাহক-সুরক্ষা মানদন্ড নয় এবং এটি দাবি নিষ্পত্তির সমস্যার সরাসরি সমাধানও করে না। বরং উন্নত বীমা-দায় পরিমাপ, লাভজনকতা বিশ্লেষণ, ঝুঁকি-সংক্রান্ত তথ্য প্রকাশ, ব্যবস্থাপনার জবাবদিহি এবং আর্থিক স্বচ্ছতার মাধ্যমে এটি একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক তথ্যভিত্তি তৈরি করতে পারে। এই তথ্যভিত্তি কার্যকর দাবি ব্যবস্থাপনা, আর্থিক সক্ষমতা তদারকি, সুশাসন, ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং বীমাগ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষার জন্য সহায়ক হতে পারে।

অতএব, বাংলাদেশের বাস্তবতায় IFRS ১৭ বাস্তবায়নকে একটি সমন্বিত সংস্কার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করা অধিকতর যুক্তিসংগত। এ ক্ষেত্রে IFRS ১৭ বাস্তবায়ন, নিয়ন্ত্রক সংস্কার, তথ্য ব্যবস্থাপনা ও তথ্যের মান নিশ্চিতকরণ, একচ্যুয়ারিয়াল সক্ষমতা ও হিসাববিদ্যার দক্ষতা উন্নয়ন, আর্থিক সক্ষমতা তদারকি এবং বীমাগ্রাহকের স্বার্থ সুরক্ষা এই ছয়টি উপাদানকে পরস্পর-সম্পর্কিত একটি কাঠামোর আওতায় আনতে হবে। এর মাধ্যমে IFRS ১৭-এর সুফল কেবল আর্থিক প্রতিবেদনের মানোন্নয়নে সীমাবদ্ধ না রেখে বীমা প্রতিষ্ঠানের প্রাতিষ্ঠানিক স্থিতিস্থাপকতা, নিয়ন্ত্রক জবাবদিহি, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি বীমাগ্রাহক আস্থা বৃদ্ধিতেও কাজে লাগানো সম্ভব হতে পারে।

Facebook Comments Box

Posted ০৬:২৭ অপরাহ্ণ | বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

bankbimaarthonity.com |

সম্পাদক : মোহাম্মাদ মুনীরুজ্জামান
প্রকাশক : সায়মুন নাহার জিদনী
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়

পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।

ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫

ই-মেইল: bankbima1@gmail.com