অনলাইন ডেস্ক
মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪ প্রিন্ট ২৮৩ বার পঠিত
বীমার সমস্ত মেকানিজম ট্রাস্টের উপরে। এই ট্রাস্ট হচ্ছে মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট। এখানে কোনো গোপনীয়তা থাকবে না। তথ্যের কথা আসছে, এরসঙ্গে স্বচ্ছতা থাকতে হবে। যদিও বীমা চুক্তির মধ্যেই স্বচ্ছতা রয়ে গেছে। হেলদি ইন্স্যুরেন্স মার্কেট থাকতে হবে। বেশি কোম্পানি থাকা দোষের কিছু নয়। কিন্তু ভালোভাবে পরিচালনা করতে হবে। যাতে দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখা যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বীমা কোম্পানির সংখ্যা অনেক। কিন্তু যে কোম্পানি যথাযথভাবে পরিচালিত হয় না তাকে ব্যবসা গুটিয়ে নিতে হয়।
আমাদের দেশে বীমা কোম্পানিগুলোর মধ্যে একটি প্রতিযোগিতা আছে। কে কার চেয়ে বেশি কমিশন দিতে পারে। একশ টাকার মধ্যে ৬৫ টাকাই কমিশন বাবদ দিয়ে দিতে হবে। সরকার অনুমোদিত কমিশন ১৫ শতাংশ। সেখানে ৪০ শতাংশই বেশি দিতে হয় প্রতিযোগিতার কারণে। যেটি মধ্যস্থাতাকারীরা নিচ্ছে। যেহেতু নন লাইফ খাতে বেশিরভাগ পলিসি আসে ব্যাংক থেকে। এই কমিশনের ৮০ শতাংশ তারাই ভোগ করছে। দেশে যদি ৬০০০ কোটি টাকা প্রিমিয়াম আসে। তাহলে ২৪০০ কোটি টাকা চ্যানেলাইজড হচ্ছে আন ইকোনমিকাল অ্যাকটিভিটিজে। বীমা কোম্পানি- রিস্ক কভারেজের জন্য। এখন সে টাকা যদি অন্য খাতে দেই তাহলে কীভাবে কাভারেজ করব। এখন অবস্থাটা এমন যে, বেতনই দেয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতি রোধ করতে হবে। ব্যবসার ক্ষেত্র বাড়াতে হবে। ব্যবসার ক্ষেত্র বাড়ছে না। জনশক্তির গুণগতমানের উন্নতি ঘটছে না। যে জন্য ব্যবস্থাপনা ভালো হতে হবে। বীমা শিল্পের বাস্তব অবস্থারভিত্তিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
Posted ০১:৩১ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৪
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com
✎ মন্তব্য করুন