নিজস্ব প্রতিবেদক
রবিবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৫ প্রিন্ট ৩৩২ বার পঠিত
অবৈধ অর্থপ্রবাহ রোধে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ এবং তা যথাসময়ে রিপোর্ট করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
দক্ষ জনবল ছাড়া AML রিপোর্টিং সঠিকভাবে করা সম্ভব নয়। বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সংখ্যা সীমিত। ফলে সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্ত করতেও বিলম্ব হয়।
নির্বাহী মনে করেন, প্রতিটি কোম্পানিকে আলাদা AML সেল গঠন করতে হবে এবং সেখানে বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত কর্মকর্তা রাখতে হবে।
তিনি বলেন, “মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে মানবসম্পদ বিনিয়োগ করাই এখন মূল চ্যালেঞ্জ।” এ ছাড়া বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট থেকে প্রদত্ত প্রশিক্ষণ আরও ঘন ঘন আয়োজন করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
তাঁর মতে, দক্ষ জনবল তৈরি হলে শুধু রিপোর্টিং নয়, বরং ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং গ্রাহক যাচাইও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, “সঠিক সময়ে সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট করা গেলে মানি লন্ডারিংয়ের বড় অংশ প্রতিরোধ করা সম্ভব।”
Posted ০২:১৭ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com
✎ মন্তব্য করুন