নিজস্ব প্রতিবেদক
মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ২৭৯ বার পঠিত
অবৈধ অর্থপাচার ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ (এএমএল, সিএফটি) নীতিমালা বীমা শিল্পের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। কক্সবাজারে অনুষ্ঠিত ক্যামেলকো কনফারেন্সে বীমা ব্যক্তিত্ব এস এম জিয়াউল হক তার উপস্থাপনায় এ আহ্বান জানান। উপস্থাপনায় বলা হয়, ব্যাংক খাতের মতো বায়োমেট্রিক ই-কেওয়াইসি বীমা শিল্পে বাস্তবসম্মত নয়। তাই গ্রাহক যাচাইয়ের ক্ষেত্রে কেবল জাতীয় পরিচয়পত্র যাচাই যথেষ্ট হবে।
তিনি উল্লেখ করেন, বীমা খাতে গ্রাহক ঝুঁকি তুলনামূলক কম হলেও সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হচ্ছে পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনার দুর্নীতি। এ জন্য শক্তিশালী হুইসেলব্লোয়িং ব্যবস্থা ও আইডিআরএ-বিএফআইইউ যৌথ নির্দেশনা জোরদারের তাগিদ দেওয়া হয়।
উপস্থাপনায় আরও বলা হয়, চলমান ডিউ ডিলিজেন্স ব্যাংকের মতো বার্ষিকভাবে করার পরিবর্তে ঘটনাভিত্তিক ও ঝুঁকি-নির্ভর পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে। যেমন সারেন্ডার, লোন , রিফান্ড বা সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত যাচাই প্রযোজ্য হবে।
এছাড়া এসটিআর (সন্দেহজনক লেনদেন রিপোর্ট) কেবল গো এএমএল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে জমা দেওয়ার সুপারিশ করা হয়।
উপস্থাপনায় কেস স্টাডির মাধ্যমে দেখানো হয়, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবশালী (পিইএফ) গ্রাহক যদি অস্বাভাবিক লেনদেনে যুক্ত হন, তবে Enhanced Due Diligence (EDD) জরুরি। তবে স্থিতিশীল প্রোফাইলের ক্ষেত্রে বার্ষিক EDD করার প্রয়োজন নেই।
সার্বিকভাবে, AML/CFT নীতিমালা বীমা খাতের জন্য সহজতর ও বাস্তবসম্মত করার পাশাপাশি শাসন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে জোর দেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
Posted ০৭:২০ অপরাহ্ণ | মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com
✎ মন্তব্য করুন