অনলাইন ডেস্ক
রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫ প্রিন্ট ৩১৮ বার পঠিত
বাংলাদেশে পর্যটন মৌসুম বলতে আমরা নভেম্বর থেকে জানুয়ারি এই তিন মাসকে বুঝে থাকি। ব
ছরের অন্য যে কোন সময়ের তুলনায় এই সময় পর্যটন স্পটগুলোতে পর্যটকদের ভীড় প্রত্যক্ষ করা যায়। নানা কারণেই গত বছর পর্যটন মৌসুমে দেশের ব্যবসায়ীরা পর্যটকদের খুব একটা আকর্ষণ করতে পারেনি। বিশেষ করে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে গত পর্যটন মৌসুমে পর্যটন স্পটে দর্শনার্থীতের কেমন একটা আনাগোনা প্রত্যক্ষ করা যায়নি। সেই ব্যর্থতা পুষিয়ে নেবার জন্য এ বছর পর্যটন ব্যবসায়ীরা নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে হোটেল রিসোর্টে ভাড়া কমানোসহ আকর্ষণীয় সব প্যাকেজ।
কক্সবাজারে ৪৫০টিরও বেশি হোটেলে ২০ থেকে ৪০ শতাংশ ভাড়া ছাড় দেয়া হয়েছে। শ্রীমঙ্গলের হোটেল ব্যবসায়ীরা ৩০ থেকে ৫৫ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে। জাহাজে সুন্দরবন যাওয়া-আসার ক্ষেত্রেও ভাড়া ছাড় দেয়া হচ্ছে। কিন্তু তারপরও কাক্সিক্ষত মাত্রায় পর্যটনের আগমন ঘটছে না। বিশেষ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশে এক ধরনের অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে। তাই পর্যটকদের মনে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে। পর্যটনদের জন্য শান্ত এবং নিরিবিলি পরিবেশ একান্তভাবে কাম্য। কারণ কোন অবস্থাতেই একজন পর্যটক জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাইরে যেতে রাজি হবেন না। বিশ্বের পর্যটন হচ্ছে একক বৃহত্তম শিল্প। এর সঙ্গে জড়িত রয়েছে কোটি কোটি মানুষ। পর্যটন শিল্পের সঙ্গে আরো অনেকগুলো খাত যুক্ত রয়েছে। পর্যটন এমনই এক খাত যেখানে নতুন কিছু সৃষ্টি করতে হয় না। প্রকৃতি প্রদত্ত উপকরণ পরিবর্তন ও রূপান্তরের মাধ্যমে পর্যটনের জন্য উপযোগী করে গড়ে তোলা যায়। পর্যটকদের আকর্ষণ করার জন্য যেসব উপকরণ প্রয়োজন হয় তার অধিকাংশই বাংলাদেশে রয়েছে। কিন্তু তারপরও পর্যটন সেভাবে আকর্ষিত হচ্ছে না। তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের মধ্যে এখনো পর্যটন সহনীয় মনোভাব গড়ে উঠেনি। ফলে পর্যটকগণ পর্যটন স্পটে গিয়ে নিরাপত্তা হীনতায় ভুগে। আমাদের দেশে এমন
অনেক মানুষ আছেন যারা পর্যটনকে শিল্প হিসেবে ভাবতে অভ্যস্ত নয়। তারা মনে করেন, পর্যটন হচ্ছে বিত্তবানদের বিলাসিতার উপকরণ। তারা এটা ভাবতে চায় না যে পর্যটন মানুষের জীবন জীবিকর অবলম্বন হতে পারে।
Posted ০৮:১৮ অপরাহ্ণ | রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
bankbimaarthonity.com | rina sristy
পিএইচপি টাওয়ার, ১০৭/২, কাকরাইল, ঢাকা-১০০০।
ফোন: নিউজরুম: ০১৭১৫-০৭৬৫৯০, ০১৮৪২-০১২১৫১ ফোন: ০২-৮৩০০৭৭৩-৫
ই-মেইল: bankbima1@gmail.com
✎ মন্তব্য করুন